আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

আসুন নিজেকে বদলায়। প্রতিদিন একটি ভালো কাজ করি। সুন্দর জীবন ও সমাজ গড়ি। নতুন সকাল

সর্বশেষ

আজকের সংবাদ

সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮

১২/১০/২০১৮ ১০:৪৩:০০ PM

মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে সুশীল সমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৭০তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে ‘মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে সুশীল সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা গতকাল সোমবার সকালে বয়রাস্থ খানজাহান আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় এ অনুষ্ঠানে আয়োজন করে।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার বলেন, মাদক থেকে দূরে থাকতে নিজেরই ইচ্ছা শক্তিই যথেষ্ট। শিক্ষার্থীরা যাতে সঙ্গ দোষে বা কৌতুলবশত মাদক গ্রহন না করে, সেজন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের শিক্ষার্থীদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। যুব সমাজকে হতাশ না করে আশা এবং সম্ভাবনার পথ দেখাতে হবে। এজন্য প্রধান অতিথি সুশীল সমাজকে সর্বাগ্রে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মো. আবু সাইদ, খুলনা বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের উপপরিচালক মেহেরুন নেছা, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন এবং সোনালী ব্যাংকের সাবেক এজিএম মো. আব্দুল গণি। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সমন্বয়কারী এ্যাডভোকেট শেখ অলিউল ইসলাম। আলোচনা সভায় মানবাধিকার কর্মী, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করেন।
১২/১০/২০১৮ ১০:৩৮:০০ PM

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমীন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহ’র ৪৭তম শাহাদৎ বার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সোমবার রূপসায় শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহ’র ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে। 
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী তিতুমির এর কমোডোর কমান্ডিং এর নেতৃত্বে শহীদদ্বয়ের মাজারে সশস্ত্র সালাম, পুস্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে রূপসা প্রেসক্লাবের পক্ষে সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম তোতা, সাবেক সভাপতি এস এম মাহবুবুর রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ আজিম ও নির্বাহী সদস্য তৌহিদুল ইসলাম কচি পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীনের কনিষ্ঠ কণ্যা ফাতেমা বেগম, নাতনী সুমাইয় ও রাইয়ান। পরে বিকেলে ক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া এবং সন্ধ্যায় দুই বীর শহীদের স্মরণে ১৬ দলীয় ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রূপসা উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দীন বাদশা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছাদেকুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্লাহ যোবায়ের, রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলাম, নৈহাটী ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল। ক্লাবের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম তোতার সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম ডালিম, সাবেক সভাপতি এস এম মাহবুবুর রহমান, তরুণ চক্রবর্তী বিষ্ণু, সাইফুল ইসলাম বাবলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভোলানাথ রায়, কৃষ্ণ গোপাল সেন, খান মিজানুর রহমান, হুসাইন আহমেদ, আব্দুর রাজ্জাক, আল মাহমুদ প্রিন্স, এম এ আজিম, তৌহিদুল ইসলাম কচি, অলিদ শেখ, হামিদুল হক, আব্দুল জব্বার শিবলি, কর্ণপুর যুব সংঘের আব্দুল মান্নান, আশরাফ আলী রাজ, মনিরুল আসলাম, আব্দুল কাদের প্রমূখ।
১৯৭১ সালের এই দিনে শত্রুমুক্ত করতে তিনটি রণতরিসহ খুলনা অভিমুখে যাত্রাকালে শিপইয়ার্ডের অদুরে মিত্রবাহিনীর বোমা হামলায় স্বাধীন বাংলার এ দুই সূর্য সন্তান শহীদ হন। পরে তাদের রূপসা নদীর পূর্ব পাড়ে সমাহিত করা হয়। দেশ স্বাধীনের পর রুহুল আমীনকে বীরশ্রেষ্ঠ ও মহিবুল্লাহকে বীরবিক্রম উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমীনের পিতার নাম আজাহার আলী মিয়া। বাড়ি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জের বাগচাঁপড়া গ্রামে। তিনি ১৯৫৩ সালে নৌ বাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৭১ সালে ৯ নং সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। শহীদ বীর বিক্রম মহিবুল্লাহ’র পিতার নাম মো. সুজা আলী। বাড়ি চাঁদপুরের শাহেদপুর গ্রামে। তিনি ১৯৬২ সালে নৌবাহিনীতে যোগদান করেন এবং একই সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। তার জন্ম ১৯৪৪ সালের ৩১ আগষ্ট।
১২/১০/২০১৮ ১০:৩৬:০০ PM

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে খুলনায় অধিকারের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার সংগঠণ অধিকার খুলনা ইউনিটের পক্ষ থেকে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, দেশে চরম ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘণের ঘটনা ঘটছে, যে কারণে গণতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়েছে। গণতন্ত্রের স্বাভাবিক গতি রুদ্ধ হয়ে গেছে। গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট করা হয়েছে। ভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ডে বাঁধা দেওয়া হচ্ছে।  
এ অবস্থা চলতে থাকলে নাগরিকদের স্বাধীনতা খর্ব হওয়ার সাথে সাথে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বও হুমকির সম্মুখিন হওয়ার আশংকা রয়েছে। এ কারণে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে  দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। 
সোমবার বেলা ১১টায় প্রেস ক্লাব খুলনায় অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের ফোকাল পার্সন মুহাম্মদ নূরুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। বক্তৃতা করেন মানবাধিকার সংগঠক সেখ আব্দুল হালিম। উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক হারুণ-অর-রশীদ, হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার এমএ আজিম, মো. আহাদ আলী, হারুন অর রশিদ মাসুম, শফিকুল ইসলাম শাহীন, জি.এম রাসেল ইসলাম, মো. সালু, রিপন হোসেন, সাহাবুদ্দীন মন্টু, সাহিদ আলম, মো. মাসুম, শেখ রাজু, আইয়ূব খান, মো. আশরাফ আলী, এসএম শামীমুর আলম, মেজবাউজ্জামান, মো. আলমগীর, মো. আবু জাফর প্রমূখ। 
বক্তারা বলেন, মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা এবং সংঘাত ও সহিংসতা এড়াতে প্রশাসনকে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা থেকে বিরত থেকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে গুম, খুন, নির্যাতন বন্ধ করে দেশের সকল মানবাধিকার লঙ্ঘণের ঘটনার বিচার করতে হবে। 
উল্লেখ্য, মানবাধিকার সংগঠন অধিকার ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে মানবাধিকার রক্ষার লক্ষ্যে নিয়োজিত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় অধিকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-, নির্যাতন, গুম, রাজনৈতিক সহিংসতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নাগরিকদের ওপর হামলা, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশী নাগরিকদের উপর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ’র নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধের জন্য কাজ করছে।  
১২/১০/২০১৮ ১০:৩১:০০ PM

খুলনায় সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারীদের সম্মাননা প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ উপলক্ষে সোমবার সকালে খুলনায় খাত ভিত্তিক সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী ১০টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের আয়োজনে হোটেল টাইগার গার্ডেন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর, তথ্য ব্যবস্থাপনা ও সেবা) মো. আলমগীর হোসেন। 
প্রধান অতিথি বলেন, উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বিকশিত বাংলাদেশ বাস্তবায়নের ভিত রচিত হয়েছে। ব্যবসায়ীরা এ অগ্রযাত্রার ইতিবাচক দূত। ক্রেতার নিকট হতে আহরিত কর রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বাস্তবায়নের চালিকা শক্তি হয়ে কাজ করছেন তারা। ভিক্ষুকের জাতি নয়, সম্মানিত জাতি হয়ে বাঁচতে চাই আমরা। সময়ের সাথে দেশ ও সরকারের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, কর আহরণে অস্বচ্ছতা দূরী করণে অনলাইন ব্যবস্থাপনার দিকে ধাবিত হয়েছে রাজস্ব বোর্ড। করদাতা ও আদায়কারীর মধ্যে ব্যক্তিগত যোগাযোগ হ্রাস পেয়েছে। এখন আহরিত ভ্যাটের শতভাগ সরকারি কোষাগারে জমা হওয়া নিশ্চিত করতে নিরন্তর কাজ চলছে। ভ্যাট আইন সময়ের সাথে আরো বাস্তবমুখী করা হবে। উন্নয়নের অক্সিজেন ভ্যাট বা রাজস্ব, এর ব্যবস্থাপনায় কোন অনিয়মকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উন্নয়নের পূর্ব শর্ত। আদায় যোগ্য করের শতভাগ আদায় নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তবেই জ্ঞানভিত্তিক, সমৃদ্ধ ও স্বাবলম্বী বাংলাদেশের স্বপ্ন সত্যি হবে। 
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার, কর আপীল অঞ্চল-খুলনার কর কমিশনার প্রশান্ত কুমার রায়, মোংলা কাস্টম হাউসের কমিশনার সুরেশ চন্দ্র বিশ্বাস, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার সাইফুল হক এবং খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সহসভাপতি মোস্তফা জেসান ভুট্ট। এতে সভাপতিত্ব করেন কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার মোঃ মোস্তবা আলী। স্বাগত জানান বাগেরহাটের ডেপুটি কর কমিশনার সুমন দাশ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত কমিশনার মুহাম্মদ রাশেদুল আলম।
অনুষ্ঠানে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে উৎপাদন, সেবা ও ব্যবসা এই তিনটি ক্যাটাগরীতে সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী ১০টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো মধ্যে উৎপাদনে  খুলনার মেসার্স এস বি ফুড প্রোডাক্টস, মোল্লাহাটের আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরী লিঃ, সাতক্ষীরার রনি প্লাইউড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং মনিকা ক্যামিক্যাল কনেশন শরীয়তপুর। সেবায় খুলনার ক্রিস্টিয়ান সার্ভিস সোসাইটি, মোংলার হোটেল পশুর এবং মোজাফফর গার্ডেন এন্ড রিসোর্ট সাতক্ষীরা। ব্যবসা পর্যায়ে খুলনা দৌলতপুর সেফ এন সেইভ, বাগেরহাট ওয়ালটন প্লাজা ও পলাশপোল ওয়ালটন প্লাজা, সাতক্ষীরা।

রবিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৮

১২/০৯/২০১৮ ০৩:৫৬:০০ PM

তেরখাদার সোনালী ব্যাংকে গ্রাহক হয়রানিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সোনালী ব্যাংক তেরখাদা উপজেলার শাখায় লেনদেন করতে আসা গ্রাহকদের পড়তে হচ্ছে মহা বিপাকে। গ্রাহকদের  টাকা জমা ও উঠানোর জন্য অপেক্ষা করতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা। অপরদিকে নতুন একাউন্ট খোলার জন্য গ্রাহকদের পোহাতে হচ্ছে দিনের পর দিন ভোগান্তি। ভুক্তভোগিরা এ ব্যাপারে প্রতিকারের দাবিতে ব্যাংকের মহা ব্যবস্থাপকসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে,  কাটেংগা বাজারের স্থানীয় ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা ভুট্ট টাকা উত্তোলন করতে আসলে ঘন্টার পর দাঁড়িয়ে থেকেও টাকা তুলতে ব্যর্থ হন। পরে তিনি শাখা ব্যবস্থাপক মো. হাবিবুর রহমানকে বললে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, “আমাদের কর্মকান্ড এরকমই চলবে, পারলে আসবেন, না পারলে আসার দরকার নেই”। কাটেংগা গ্রামের মাসুদ রানা পে-অর্ডার করতে ব্যাংকে এসে এ টেবিল ও টেবিল ঘুরতে ঘুরতে ৩ ঘন্টা পর স্টাফরা ম্যানেজারের কাছে পাঠায়। ম্যানেজার তখন বলেন ৩ ঘন্টা সময় লাগবে। তখন মাসুদ রানা বলেন, স্যার আমি তো ৩ ঘন্টা দাড়িয়ে আছি। তখন ব্যবস্থাপক তার সঙ্গে দুর্ব্যাবহার করে এবং পরবর্তীতে পে-অর্ডার করতে হলে অগ্রণী ব্যাংকে যাওয়ার কথা বলেন।
সোনালী ব্যাংক তেরখাদা শাখার আওতায় সরকারি কর্মচারী কর্মকর্তাদের বেতন ভাতা বেসরকারি সংস্থা জনসাধারনের লেনদেন, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, ৪০ দিনের কর্মসূচিসহ বিভিন্ন লেনদেন, পে-অর্ডার, ট্রেজারি চালানসহ বিভিন্ন কাজে আসা লোকজন প্রতিনিয়ত চরম হয়রানির শিকার হচ্ছে। টাকা উত্তোলন করার সময় তারা গ্রাহকদের সাথে প্রচন্ড দুর্ব্যবহার করে থাকেন। ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের ৯ টার সময় কার্যক্রম শুরু করার কথা থাকলেও তারা ব্যাংকে আসে সাড়ে ১০টার পরে। কোন কোন দিন ম্যানেজারকে ১১ টার পরও খুঁজে পাওয়া যায় না। ফলে তার আসার  অপেক্ষায় সকাল থেকে বসে থাকতে হয় গ্রাহকদের। দুপুর ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত বিরতি থাকলেও আড়াইটার আগে কোন স্টাফ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করে না, আবার ৩টা বাজার সাথে সাথে সকল লেনদেন বন্ধ করে দেয়। ৫০ হাজার টাকার উর্দ্ধের চেক পাশ এবং টিটি-ডিডি প্রেরণের ক্ষেত্রে অধিকাংশ গ্রাহককে পড়তে হয় মহা বিপাকে।  অনেক গ্রাহক আছেন যারা চাকুরীর কারণে অন্য থানায় ভোটার হয়েছেন। কিন্তু তাদের স্থায়ী ঠিকানা তেরখাদা। এমন গ্রাহকরা চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেট, চেয়ারম্যান মেম্বর কর্তৃক স্থায়ী বাসিন্দার প্রত্যয়ন পত্র নিয়ে আসলেও ব্যবস্থাপক একাউন্ট খুলতে নারাজ। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ব্যাংকের কর্মচারী মিজানুর রহমান সিকিউরিটি গার্ডদের দিয়ে ফরম পুরণ করিয়ে অভিনব কায়দায় গ্রাহকদের কাছ থেকে ২০০/৩০০ টাকা উৎকোচ নিয়ে অনেকের একাউন্ট খুলে দেন। ব্যাংকের কর্মচারীরা স্থানীয় হওয়ায় তারা অনেক সময় তাদের আত্মীয় স্বজন কিংবা কাছের লোকদের সাথে নিয়ম শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে সিরিয়াল মেইনটেইন না করে লেনদেন করে। অনেক সময় ব্যাংকের মধ্যে এ নিয়ে বাক বিতান্ড ও বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ব্যাংকের কর্মকর্তা (যারা কম্পিউটারে কাজ করেন) খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে কাজ করেন। ৫ মিনিটের কাজ করতে সময় নিচ্ছে ২০/২৫ মিনিট। যার ফলে গ্রহকদের অযথা সময় ব্যয় করতে হয় এবং ব্যংকে ভীড় পড়ে সাধারণ লোকজনের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ব্যাংকের ব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমান স্থানীয় প্রভাবশালী লোকদের সাথে সখ্যতা গড়ে দাপটের সাথে এ নানাবিধ অনিয়ম পরিচালনা করে আসছে। এ সকল ব্যাপারে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার ভুক্তভুগি গ্রাহকগণ। ব্যাংক ব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।
১২/০৯/২০১৮ ০৩:৫৫:০০ PM

বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৮ রবিবার সকালে খুলনা খালিশপুর পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভিতরের মাঠে শুরু হয়েছে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন খুলনা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক মেহেরুন নেছা। সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম এতে সভাপতিত্ব করেন। এসময় বিভিন্ন উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের স্মরণে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলাধুলার জগতে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। এ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জাতির পিতা এবং বঙ্গমাতার জীবন ও কর্ম সম্পর্কে আরো বেশি করে জানার সুযোগ পাবে। তাদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীগণ লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করে নিজেদের আত্মপ্রত্যয়ী করে গড়ে তুলেবে।এ টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে আগামী দিনের প্রতিভাবান ফুটবলার উঠে আসবে বলে বক্তারা জানান। উদ্বোধনীতে খেলায় দিঘলিয়া উপজেলা খুলনা সদরের সাথে এবং ফুলতলা উপজেলা রূপসার সাথে মোকাবেলা করে।
১২/০৯/২০১৮ ০৩:৫২:০০ PM

খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নির্বাচনের সময় মটরসাইকেল শোডাউন করা যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচনী প্রচারণায় কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোটরসাইকেল শোডাউন করতে পারবে না। প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্বাচনী  সকল আচারণ বিধি অবশ্যই মেনে চলতে হবে। অন্যথায় আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। রবিবার সকালে খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এসকল সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল হোসেন সভাপতিত্ব করেন।
সভায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জানান, খুলনা-২ আসনে প্রথমবারের মতো সবগুলো কেন্দ্রে  ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। জনসচেতনতার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ইভিএম প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ১৫৭টি কেন্দ্রেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে এবং তা নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত চলবে। তিনি কমিটির সবাইকে ইভিএম বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরও জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনের আগে তাবলীগের কোন ধরণের  প্রোগ্রাম করা যাবে না।
পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে একটি নির্বাচনী সেল খোলা হয়েছে। খুলনা জেলার নয়টি উপজেলায় গত নভেম্বর মাসে চুরি ১টি, খুন ১টি, অস্ত্র আইন ২টি, ধর্ষণ ১টি, অপহরণ ২টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ৬টি,  মাদকদ্রব্য ১২৯টি এবং অন্যান্য ৫২টিসহ মোট ১৯৪টি মামলা দায়ের হয়েছে। গত অক্টোবর মাসে এ সংখ্যা ছিল ২১৫টি। মহানগরীর আটটি থানায় নভেম্বর মাসে রাহাজানি ১টি, চুরি ১৪টি, খুন ১টি, ধর্ষণ ২টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ৮টি,  মাদকদ্রব্য ১৬১টি এবং অন্যান্য আইনে ৩২টি সহ মোট ২১৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। গত অক্টোবর  মাসে এ সংখ্যা ছিল ২৪৬টি। সভায় পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ, বিজিবি অধিকায়ক লে. কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার, কেএমপি ও র‌্যাব প্রতিনিধিসহ আইনশৃঙ্খলা কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
১২/০৯/২০১৮ ০৩:৪৯:০০ PM

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমীন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহ’র ৪৭তম শাহাদৎ বার্ষিকী ১০ ডিসেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১০ ডিসেম্বর শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহ’র ৪৭তম শাহাদৎ বার্ষিকী। ১৯৭১ সালের এই দিনে শত্রুমুক্ত করতে তিনটি রণতরিসহ খুলনা অভিমুখে যাত্রাকালে শিপইয়ার্ডের অদুরে মিত্রবাহিনীর বোমা হামলায় স্বাধীন বাংলার এ দুই সূর্য সন্তান শহীদ হন। পরে তাদের রূপসা নদীর পূর্ব পাড়ে সমাহিত করা হয়। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে প্রতিবারের মত এবারও বাংলাদেশ নৌবাহিনী, খুলনা জেলার রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও রূপসা প্রেসক্লাব কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, সকালে মাজার প্রাঙ্গনে শহীদদ্বয়ের প্রতি সশস্ত্র শ্রদ্ধা নিবেদনসহ পুস্পস্তবক অর্পন, বিকেলে রূপসা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও সন্ধ্যা ৭টায় প্রেসক্লাব ক্রীড়া চত্বরে ১৬ দলীয় ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্ট।
প্রসঙ্গত, চুড়ান্ত বিজয়ের অভিযানের উম্মাদনায় খুলনাকে শত্রুমুক্ত করতে পাকিস্তানি নৌঘাঁটি তিতুমীর দখল করতে ৭ ডিসেম্বর মুক্তিকামী নৌসেনারা নেভাল জেটি হলদিয়া থেকে তিনটি রণতরী বি,এন,এস ‘পদ্মা’, ‘পলাশ’ ও আই,এন,এস ‘পানভেল’ (ভারতীয়) নিয়ে বাংলার জলসীমায় যাত্রা শুরু করেন। মংলা বন্দরসহ বিভিন্ন এলাকা শত্রুমুক্ত করে ১০ ডিসেম্বর ভোরে খুলনা অভিমুখে রওনা হয় রণতরী তিনটির যোদ্ধারা। রণতরী বহরের প্রথমে ভারতীয় জাহাজ আই,এন,এস ‘পানভেল’, মাঝে বি,এন,এস ‘পলাশ’ ও শেষে আই,এন,এস ‘পদ্মা’ একই গতিতে এগোতে থাকে। বেলা ১২টার দিকে জাহাজ তিনটি খুলনার শিপইয়ার্ডের অদুরে পৌঁছালে ভুল সিগনালের কারণে মিত্র বাহিনীর যুদ্ধ বিমানের নিক্ষিপ্ত বোমায় ‘পলাশ’ ও ‘পদ্মা’ জাহাজ মারাত্বক ভাবে বিধস্ত হয়। এর মধ্যে আংশিক বিধ্বস্ত হয়ে পদ্মা’র ইঞ্জিন বিকল হয়ে নদীর চরে আটকা পড়ে এবং পলাশ জাহাজে আগুন ধরে যায়। এ সময় জীবন বাঁচাতে অনেকে নদীতে ঝাপিয়ে পড়ে। কিন্তু পলাশের ইঞ্জিনরুম আর্টিফিশিয়ার (চিফ ই.আর.এ) রুহুল আমিন অগ্নিদগ্ধ রণতরী পলাশ ও বিপন্ন মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজেই শহীদ হন। পরে তিনি বীরেেশ্রষ্ঠ উপাধিতে ভুষিত হন। সেই সাথে আরো শহীদ হন বীর বিক্রম মহিবুল্লাহ, নৌ-সেনা ফরিদ উদ্দীন, আখতার উদ্দীন, দৌলত হোসেন ও নৌ-কমান্ডো মোঃ রফিকসহ ১০জন।
এ সময় স্থানীয় জনতা যুদ্ধ বিধস্ত পলাশে থাকা বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহসহ অন্যান্য শহীদদের লাশ রূপসা নদীর পূর্ব তীরে সমাহিত করেন। কিন্তু দেশ স্বাধীনের ২৫ বছর পর ১৯৯৭ সালে এ দুই বীরের কবর স্থানীয় এক শিল্পপতি বিলুপ্ত করে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ার উদ্যোগ নিলে তৎকালীন রূপসা রিপোর্টার্স ক্লাব (বর্তমান রূপসা প্রেসক্লাব) এটি রক্ষার জন্য শহীদদ্বয়ের স্মৃতিতে ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে আসেন তৎকালীন খুলনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভিসি ড. নজরুল ইসলাম, কেডিএর চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম (বীর প্রতীক) ও প্রয়াত সাংবাদিক বিবিসি খুলনা প্রতিনিধি মানিক চন্দ্র সাহাসহ সূধীজনেরা। এ সময় এ দুই বীরের কবরের ভগ্নদশা দেখে কেডিএ’র চেয়ারম্যান বিস্মিত হন এবং কবর দু’টি মাজার কমপ্লেক্সে রুপান্তরিত করার জন্য তাৎক্ষনিক ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন। সেই সাথে ডিজাইনের দায়ীত্ব দেওয়া হয় খুলনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে। এর পর এখানে নির্মিত হয় এ দু’বীরের মাজার কমপ্লেক্স। কিন্তু গত বিএনপি আমলে পূর্বের ডিজাইন ভেঙ্গে নতুন আঙ্গিকে মাজার কমপ্লেক্স নির্মাণ করে।
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমীনের পিতার নাম আজাহার আলী মিয়া। বাড়ি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জের বাগচাঁপড়া গ্রামে। তিনি ১৯৫৩ সালে নৌ বাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৭১ সালে ৯ নং সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। শহীদ বীর বিক্রম মহিবুল্লাহ’র পিতার নাম মোঃ সুজা আলী। বাড়ি চাঁদপুরের শাহেদপুর গ্রামে। তিনি ১৯৬২ সালে নৌবাহিনীতে যোগদান করেন এবং একই সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। তার জন্ম ১৯৪৪ সালের ৩১ আগষ্ট।

আজকের ভোরের ডাক পড়ুন এখানে

একসাথে চার সন্তানের মা হলেন সুবর্ণা