আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

আসুন নিজেকে বদলায়। প্রতিদিন একটি ভালো কাজ করি। সুন্দর জীবন ও সমাজ গড়ি। নতুন সকাল

সর্বশেষ

আজকের সংবাদ

শনিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৮

এক মাসেও শুরু হয়নি তেরখাদায় নদীগর্ভে বিলিন সড়কের নির্মাণ কাজ : জন দুর্ভোগ চরমে

তেরখাদা প্রতিনিধি : আতাই নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাওয়া তেরখাদা উপজেলার পারহাজীগ্রামে সেনেরবাজার-কালিয়া-বড়দিয়া সড়কে  আঁধা কিলোমিটার জুড়ে ভাঙনের প্রায় এক মাস অতিবাহিত হলেও বিকল্প সড়ক নির্মাণ করা হয়নি আজও। ফলে জনদুর্ভোগ চরমে পৌছেছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিয়ে স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী সহ প্রতিদিন তেরখাদা উপজেলা ও পার্শবর্তী এলাকার হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। খুলনা-কালিয়া-বড়দিয়া সহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার লোকজন এখন যানবাহন থেকে নেমে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পার হয়ে যানবাহন ও অন্যান্য পরিবহনে উঠতে হচ্ছে। বিভিন্ন বাজারের  ব্যবসায়ীরা মালামাল বহনকারী পরিবহন পার হতে না পারায় চরম সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ অক্টোবর আতাই নদীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তেরখাদা উপজেলার পারহাজীগ্রামের ঈদগাহ ময়দানের অদুরে পশ্চিম প্রান্তে ফাটল দেখা দেয়। এর পর খুলনা-কালিয়া-সড়কে সামান্য ফাটলের পর সড়কটি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যায়। সময়মত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে হয়তো সড়কটি রক্ষা করা যেত বলে এলাকাবাসীর দাবি। সড়কটি আতাই নদীগর্ভে বিলিন হওয়ার পর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ভাঙন প্রতিরোধের জন্য প্রাথমিক ভাবে বস্তা ভর্তি বালি ফেলে। বর্তমানে সেখানে নতুন করে আবারও ভাঙন দেখা দেওয়ার আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে এলাকাবাসী। সড়কটিতে নিয়মিত যাতায়াতকারী মোঃ ইলিয়াস মোল্যা বলেন, সড়কে প্রায় আধা কিলোমিটার জায়গা নদীগর্ভে চলে গেছে। ফলে সড়কটি বন্ধ হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। সে অভিযোগ করে বলেন, এক বছর আগে এলজিইডির তত্বাবধানে রাস্তাটি সংস্কার করা হয়। যেভাবে করা উচিৎ ছিল সেভাবে না করায় আজকে সড়ক নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এলাকার বাসিন্দা মোঃ রহিম বলেন, রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ায় লোকজনে উপজেলা ও জেলার সাথে বর্তমানে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে এবং সড়কের যোগাযোগ বিছিন্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা মালামাল আনতে পারছে না।  সড়ক চলাচলে বিভিন্ন স্থানে কর্মরত চাকুরীজীবীরা যথাসময়ে তাদের গন্তব্য স্থানে পৌছাতে বিড়ম্বনা পোহাচ্ছে। স্কুল কলেজগামী ছাত্র ছাত্রীদের একই অবস্থা পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে ভাঙন কবলিত জায়গাটিতে ঝুকি বাড়ছে। জনসাধারন জীবন বাজী রেখে পার হচ্ছে। জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি নির্মাণের ব্যাপারে কারো কোন মাথাব্যাথা নেই। দ্রুত বাইপাস সড়কের  ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।  

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আজকের ভোরের ডাক পড়ুন এখানে

একসাথে চার সন্তানের মা হলেন সুবর্ণা