ঢাকা অফিস : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী ও খুলনা জেলা আ’লীগের কোষাধ্যক্ষ আলহাজ ইঞ্জি. জিএম মাহবুবুল আলম। ১০ নভেম্বর বিকেলে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে মাহবুবুল আলম নিজেই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।
এদিকে জিএম মাহবুবুল আলমের মনোনয়ন কেনার খবরে আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে খুশির জোয়ার বয়ে গেছে। বিশেষ করে, কয়রা উপজেলা বাসির দীর্ঘদিনের স্বপ্নের প্রতিফলন হওয়ার সম্ভাবনা থেকে চরম আনন্দিত। ক্লিন ইমেজ ও ত্যাগী নেতা হিসেবে খ্যাত মাহবুবুল আলম দল থেকে মনোনয়ন পাবেন বলে তৃণমূল নেতাকর্মীরা আশা ব্যক্ত করেছেন।
স্বাধীনতার পর থেকে কয়রা উপজেলার কেউই আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন পাননি। কয়রা উপজেলার বাসিন্দা হিসেবে এবারই প্রথম জেলার কোন সিনিয়র নেতা মনোনয়ন পাবেন বলে আশা করছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা ।
উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন মালী বলেন, মাহবুবুল আলম ক্লিন ইমেজের ত্যাগী নেতা। তিনি কয়রা উপজেলার বাসিন্দা হওয়ায় আমরা গর্বিত। আশা করছি, দল থেকে এবার উনাকে মনোনয়ন দিবেন।
খুলনা জেলা পরিষদের সদস্য ও আ’লীগ নেতা মো. জহুরুল হক বাচ্চু বলেন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাহবুবুল আলম উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন সফল মানুষ। তিনি এ অঞ্চলের মানুষের সুখ দুঃখের সাথী। দলের সভাপতির কাছে আমাদের দাবী, জনগণের অনুভূতি অনুধাবন করে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হোক।
সাবেক কপোতাক্ষ কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী আমরা কয়রা উপজেলাবাসী অনেক অবহেলিত। বিশেষ করে নদী ভাঙ্গন সমস্যার কোন টেকসই সমাধান পাচ্ছি না। কয়রা-পাইকগাছা মিলে খুলনা-৬ আসন। কিন্তু কয়রা উপজেলা থেকে কাউকে কখনও দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হইনি। আ’লীগের সাধারণ কর্মী হিসেবে আমরা নেতৃত্বের পরিবর্তন চাই। দলের সভাপতির কাছে কয়রা উপজেলার কোন বাসিন্দাকে এবার মনোনয়ন দেওয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি।
এ প্রসঙ্গে মনোনয়ন প্রত্যাশী জিএম মাহবুবুল আলম জানান,আমি সারা জীবন মানুষের ভালবাসা নিয়ে চলতে চাই। সুখ-দুঃখে পাইকগাছা-কয়রার গণ মানুষের পাশে থাকতে চাই। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশা রাখি। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে নৌকা বিজয়ের জন্য কাজ করবো।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন